দুদকের মামলার তদন্ত আগায় না , ফের নাবিল গ্রুপের মালিকদের ব্যাংক হিসাব তলব

ব্যাংকঋনের ৩৬৩ কোটি টাকা বিতরণ দেখিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগে মামলার আসামি এস আলম ও নাবিল গ্রুপের মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে গতবছর

9

শতকোটি টাকার ব্যাংক একাউন্ট জব্দ আছে আদালতের নির্দেশে দুদকের আবেদনে। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনে। কিন্তু দুদকের তদন্তে গতি নাই। যদিও মামলা হয়েছিল গতবছর । তাই ফের নাবিল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আমিনুল ইসলাম স্বপন ও তার স্ত্রী ইসরাত জাহানের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট- বিএফআইইউ। এর আগেও কয়েক দফা স্বপরিবারে তার হিসাব তলব ও জব্দ করা হয়।

- Advertisement -

- Advertisement -

নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠান নাবা অ্যাগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের অনুকূলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের গুলশান শাখা থেকে নেওয়া ঋণের ৩৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের মালিক মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম), নাবিল গ্রুপের মালিক মো. আমিনুল ইসলামসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন সংবাদ সম্মেলন করে সেই তথ্য জানিয়েছিলেন গনমাধ্যমকে । ঐদিন দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেছিলেন,” আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণের প্রস্তাবনা অনুমোদন ও রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় নবগঠিত প্রতিষ্ঠান নাবা অ্যাগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের অনুকূলে ৬৭০ কোটি টাকা ঋণসুবিধা মঞ্জুর করা হয়। এর মধ্যে ৩৬৩ কোটি টাকা বিতরণ দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে।”  ( প্রথম আলো ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ )

 

তারও আগে গত বছরের মার্চে আমিনুল ইসলাম ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির ৭৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত। এসব হিসাবে মোট ৯৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা জমা ছিলো। এ ছাড়া আমিনুল ইসলামের স্থাবর সম্পদ জব্দের আদেশ দেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।

ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণের নামে অর্থ আত্মসাতের দায়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চলমান আছে। অন্তবর্তী সরকার শেখ হাসিনা পরিবার, এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন, নাবিলসহ ১০টি ব্যবসায়ী গ্রুপের বিরুদ্ধে ১১টি যৌথ তদন্ত দল গঠন করে। সেই তদন্তের আলোকে এরই মধ্যে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়।কিন্তু অনেকটাই ধরাছোয়ার বাইরে রয়ে গেছে নাবিল গ্রুপ। বিদায়ী ইউনুস সরকারের সময় আলোচনায় আসে রাজশাহী ভিত্তিক এই ব্যবসায়ি গ্রুপটি । আর সবচেয়ে আলোচিত হয় এই গ্রুপের মালিকানাধীন টেলিভিশন চ্যানেল স্টার নিউজের আত্সপ্রকাশের সময় ।

You might also like