সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু আর অভিনয়ে ববিতাকে দেয়া হচ্ছে একুশে পদক
সাংবাদিক শফিক রেহমানসহ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে
সোনালী গিটার থেমে গেছে ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর । কিন্তু আইয়ুব বাচ্চু বেচেঁ আছেন নিজের গানে ,ব্যান্ডের মাতাল সুরে । আর যখন খবর এসেছে ২০২৬ সালে একুশে পদক তাকেইঁ দিচ্ছে সরকার তখন ভক্তদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। খবরটি শুনে আবেগতাড়িত আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা গনমাধ্যমে বলেছেন, ‘খবরটা শুনে খুশি হলাম। বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো। পুরস্কারটা নিজে হাতে নিতে পারলে খুশি হতো। বাচ্চুর সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আছে। দেরিতে হলেও পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।’
আইয়ুব বাচ্চুর নাম জড়িয়ে থাকা ব্যান্ড এলআরবিও তাঁকে স্মরণ করেছে। এক ফেসবুক পোস্টে ব্যান্ডটি লিখেছে, ‘এটি শুধু একজন শিল্পীর সম্মাননা নয়, এটি বাংলা সংগীতের প্রতি তাঁর আজীবন সাধনা, সততা ও সাহসী সৃজনশীলতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।‘গিটার হাতে তিনি যে ভাষায় গান করেছেন, তা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রেম, প্রতিবাদ, স্বপ্ন আর জীবনের গল্প তিনি সুরে সুরে বলে গেছেন অক্লান্তভাবে।’

এ বছর একুশে পড়দক পেয়েছেন আরো একজন তুখোড় জনপ্রিয় অভিনেত্রী ববিতা । অনন্ত প্রেম ,অরুনোদয়ের অগ্নিসাক্ষী বা আলোর আর গোলাপী এখন ট্রেনের ববিতা এক সময়ের ঢাকাই সিনেমার বুকে কাপন ধরানো নায়িকা। বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতার (প্রকৃত নাম ফরিদা আক্তার পপি) বয়স ৭৩ বছর । বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলায় জন্মগ্রহণকারি ববিতা পুরো সত্তর ও আশির দশক কাপিয়েছেন রূপালি পর্দা । অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ।

বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আইয়ুব বাচ্চু ও ববিতাসহ দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার। তালিকায় আছেন নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার এবং ব্যান্ড মিউজিকে একুশে পদক পাচ্ছে দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ আর নৃত্যকলায় অর্থী আহমেদ। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে প্রেস সচিব এ তথ্য জানান। একুশে পদকের জন্য আরও মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক আবদুস সাত্তার,স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম, বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার ও তেজশ হালদার যশ।
