স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কোথায়?

স্পিকারের বদলে কাল সংসদ ভবনে এমপিদের শপথ পড়াবেন প্রধান নিবার্চন কমিশনার

68

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী কোথায়?  নিজের ফেসবুক পেইজের এক পোস্টে এই প্রশ্ন তুলেছেন খ্যাতিমান সাংবাদিক জ ই মামুন। আর এই প্রশ্ন তোলার কারন হচ্ছে আগামীকাল নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো নিয়ে যে জটিলতা দেখা দিয়েছে । যদিও প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর ও সরকার গঠনের জন্য উদগ্রীব বিএনপির দলীয় সুত্রের বরাতে জানা যাচ্ছে যে প্রধান নিবার্চন কমিশনারই শপথ পড়াবেন।

- Advertisement -

- Advertisement -

জ ই মামুন তার পোস্টে ণিখেছেন “ আগামিকাল নতুন সংসদ ও সরকারের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান। এই শপথের মধ‍্য দিয়ে দেশে গঠিত হতে যাচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নতুন সরকার। সংবিধান অনুসারে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানোর কথা বিদায়ী স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর। আমরা জানি তিনি পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু পদত্যাগ করলেও সংবিধানের এই বিধান রহিত হয় না। তবে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের অবর্তমানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাতে পারেন বলে সংবিধানের নির্দেশনা আছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো স্পিকার নেই কেন, তিনি গেলেন কোথায়?

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে দেশজুড়ে অরাজকতা, প্রাণহানিকর নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতির মধ‍্যে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সরকার, প্রশাসন, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সদস‍্য দেশের বিভিন্ন সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তখন এ নিযে নানা গুঞ্জনের পর সামরিক বাহিনীর জন সংযোগ বিভাগ, আইএসপিআর থেকে তাদের নামের তালিকা প্রকাশ করে জানানো হয়েছিলো- কারা কোন সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ৬২৬ জনের সেই তালিকাটি অধিকাংশ গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে। ওই তালিকার চার নম্বর ব‍্যক্তি ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, তিনি ঢাকা সেনানিবাসের আশ্রয় নিয়েছিলেন।

ঢাকা সোনানিবাসে থাকা সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক বা এমপি সুমনের মতো অনেককে পরবর্তীকালে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যেতে দেখছি। নিরাপত্তা ঝুঁকি কেটে যাওয়ায় পর আশ্রিতদের অনেকে স্বেচ্ছায় বাড়ি ফিরে গেছেন বলেও জেনেছি। কিন্তু স্পিকার শিরীন শারমির চৌধুরীর খবর কোথাও নেই। তিনি কি এখনো সেনানিবাসে আছেন, না দেশের অন‍্য কোথাও আছেন নাকি বিদেশে চলে গেছেন, নাকি হাওয়ায় মিলিয়ে গেলেন- তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কেউ কি কিছু জানেন? “

 

সংবিধানে কি আছে ?

সংবিধানের ১৪৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিদায়ী স্পিকার নতুন এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন। ১৪৮ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, স্পিকারের মনোনীত কোনো ব্যক্তির কাছেও এমপিরা শপথ নিতে পারবেন। ১৪৮ (২ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে যদি স্পিকার বা তাঁর মনোনীত ব্যক্তি সংসদ সদস্যদের শপথ না পড়ান, তাহলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার  শপথ পড়াবেন।

সংবিধানের এ নির্দেশনা মতে, পদত্যাগ করলেও এমপিদের শপথ পড়ানো বিদায়ী স্পিকারের দায়িত্ব। এর জন্য সংবিধানে তিন দিন সময় নির্ধারণ করা আছে। কোনো কারণে তিনি ব্যর্থ হলে পরের তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এমপিদের শপথ পড়াবেন।

 

 ( স্পিাকার শিরিন শারমীন ছবি বিডি নিউজের সৌজন্যে )

 

 

You might also like