এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা শামস সুমন অনেক দিন থেকেই নিয়মিত অভিনয়ের বাইরে ছিলেন। সর্বশেষ ‘রেডিও ভূমি’তে স্টেশন চিফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। আজে মঙ্গলবার হটাৎ করেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন, এক সময়ের চলচ্চিত্রসহ প্রায় সব মাধ্যমের জনপ্রিয় এই অভিনেতা । আজ মঙ্গলবার বিকেলে নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি । অভিনেতার মৃত্যুর বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করেছেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু।
আজ মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা পর সুমন হঠাৎই অসুস্থতাবোধ করেন। পরে তিনি অসুস্থতার কথা জানান আরেক অভিনেতা শাহাদৎ হোসেনকে। তিনি তাকে ঢাকার গ্রিন রোড এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই মারা যান শামস সুমন।
টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ শামস সুমন। মঞ্চ থেকে শুরু করে ছোট পর্দা-বড় পর্দায় ছিল তার সরব উপস্থিতি। তবে সম্প্রতিকালে টেলিভিশন নাটকে তাকে খুব একটা দেখা যায়নি।
শামস সুমনের জন্ম রাজশাহীতে। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবৃত্তি সংগঠন স্বননের সদস্য ছিলেন।
তার অভিনীত চলীচ্চত্র হলো- ‘মন জানেনা মনের ঠিকানা’ (২০১৬), ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’ (২০১৬), ‘চোখের দেখা’ (২০১৬), ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ (২০১৪), ‘আয়না কাহিনী’ (২০১৩), ‘বিদ্রোহী পদ্মা’ (২০০৬), ‘জয়যাত্রা’ (২০০৪), ‘নমুনা’ (২০০৮), ‘হ্যালো অমিত’ (২০১২) ও ‘জয়যাত্রা’ (২০০৪)।
২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপুরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান সামস সুমন।
