” আইএমএফ কেন কিস্তি ছাড় করছে না? “ প্রশ্ন তুলেছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
” যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করছে “
সংস্কার নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, ” আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কেন কিস্তি ছাড় করছে না? অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ের সংস্কার প্রস্তাবগুলো কেন অনুশীলনে নিতে পারলাম না? অর্থনীতি নিয়ে শ্বেতপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন খাতের সংস্কারের পুস্তক তৈরি হয়েছে। এই সংস্কার প্রস্তাবগুলো এখন মিউজিয়ামে রাখার সময় হয়েছে।” আজ শনিবার ( ১৮ এপ্রিল ) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে বাজেটে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ নিয়ে প্রাক্–বাজেট ছাড়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এসব কথা বলেন ।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বর্তমান সরকারের প্রারম্ভিক সংকেত ভালো হলো না। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সংস্কার কমিশন গঠনের কথা আছে। কিন্তু দুই মাসেও তা হয়নি। দ্রুত এই সংস্কার কমিশন গঠন করা উচিত।
বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করছে। বর্তমান নতুন সরকার বলছে দেশভিত্তিক বৈদেশিক নীতি করবে না। কিন্তু বাণিজ্যচুক্তিতে তা–ই হলো—কার কাছ থেকে তেল কিনব, সেই অনুমতি নিতে হচ্ছে।’ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘বর্তমান জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় ক্যাবিনেট সাবকমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি কতবার বৈঠক করেছে, জানি না। পেট্রলপাম্পে যানবাহনের সারি কমাতে না পারলে ওই কমিটি কী করল?’
জ্বালানি ও ব্যাংক খাতকে অর্থনীতির ফুসফুস বলে মন্তব্য করেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, জ্বালানি ও ব্যাংক—এই দুটি ফুসফুস দিয়ে অর্থনীতি চলে। আর হৃদয় হলো সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা (পিএফএম)। যেখানে থাকে রাজস্ব আয়, ব্যয়, ঘাটতি অর্থায়ন—এসব থাকবে পিএফএমে।
