ঠিক বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান নয় । বলা হলেছিল বইয়ের লেখকের সাথে আড্ডা ্ আর বড় ব্যাতিক্রম হলো অনুষ্ঠানের আয়োজক কে এফডি এক্সপ্রেস নামের একটি রেস্তোরা,যেখানে চাইনিজ খাবারই বেশি। না ট্যুরিস্ট ও লেখক এলিজা বিনতে এলাহী এখনো চীন ভ্রমনের কোনো বই লেখেননি, , যদিও বেইজিং থেকে তিব্বত যাবার,ট্রেন ভ্রমনের অভিজ্ঞতা তিনি লিখেছেন নিজের ফেইসবুক পেইজে । তার পাঠকরা এখন বইটির অপেক্ষায় আছেন ।

The KFD Express’ রেস্তোরাঁর পরিচালক তৌফিক রহমান, নিজে দেশের একজন পর্যটন বিশেষজ্ঞ , পুরোনো ট্যুর অপারেটর বা ডিএমসি জানির্প্লাসের সিইও , তাই ভ্রমনপ্রিয় মানুষদের জনই আয়োজন করেছিলেন ” এলিজার সাথে ভ্রমণ আড্ডা “। দেশ বরেণ্য কথাশিল্পী, সাংবাদিক, অভিনেতা, বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষীরা জড়ো হয়েছিলেন বনানীর রেস্তোরাটিতে । ঈদের লম্বাছুটির মধ্যেই একটা সন্ধ্যা জমেছিল ভ্রমন আড্ডা।এলিজা বিনতে এলাহী লেখেন ভালো আর বলেনও খারাপ না। উপস্থিত সুধীজনদের সামনে বলা যায় যেমন করে তুলে ধরলেন নিজের প্রায় সবগুলো বই, আবার নিজের তৈরি করা তথ্যচিত্রগুলোর কথা এমনভাবে বললেন যে সবাই আগ্রহী উঠলেন সেগুলো দেখবার জন্য। জানিনা কেউ এখন উদ্যোগ নিবেন কি না সেসব তথ্যচিত্র নিয়ে একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করার। এলিজার তথ্যচিত্র আবার ইউটিউবে পাওয়া যায় না । হতে পারে নির্মাতা তার কষ্টের কাজ গন করতে চান না ।

অনুষ্ঠানে এলিজা বিনতে নিজেই জানিয়েছেন তিনি শুরু করেছেন ইংরেজিতে লিখতে, প্রথম দুটো ইংরেজি বইও এনে দেখিয়েছেন।তবে এখন সবশেষের দুটো আলোচিত বই ” দেখা অদেখা চট্টগ্রাম: একটি ঐতিহ্য সফরনামা এবং রোড টু পামির, ইতিহাস ও আদিম প্রকৃতি যেখানে মিশেছে “ এদুটোই ছিল মুল আকর্ষণে । বাংলাদেশে উজবেকিস্তান বিশেষজ্ঞ বলা যায় সৈয়দ জাফরকে, তিনিও আয়োজনের সহ-উদ্যোক্তা। আর সেদিনের অনুষ্ঠানে আলো ছড়িয়ে সভাপতিত্ব করেছেন আরেক বিখ্যাত ভ্রমন লেখক ব্যাংকার ও অথর্নীতির বিশ্লেষক ফারুক মঈনুদ্দিন, বই নিয়ে আলোচনা করেছেন লেখক ও চিত্রনির্মাতা বিটিভির সাবেক উপমহাপরিচালক ফরিদুর রহমান ও সাংবাদিক প্রণব সাহা।
মূল অনুষ্ঠানের পর উন্মুক্ত আলাপের সময়টাই বেশি আনন্দমুখর হয়েছিল তৌফিক রহমানের পরিচালনায় । কে এফডি রেস্তোরাতে আছে একটি বুক কর্নারও । খাবারের পাশাপাশি বই পড়ার এই সুযোগ রাজধানী ঢাকায় আর কটা আছে জানা নাই,তবে এখন সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য রেস্তোরায় ্ওয়াই-ফাই আবশ্যক সেখানে বই রাখার জন্য উদ্যোক্তা ধন্যবাদ পেতেই পারেন। যেমন ভ্রমনপ্রিয় যে কোনো মানুষ,যারা বেড়ানোর পাশাপাশি পড়তেও চান,তাদের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা এলিজা বিনতে এলাহীকে।বই
