এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চাকরি পেয়েছিলেন

প্রার্থিতা ফিরে পেতে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা

30

জাতীয় নাগরিক কমিটি-এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় চাকরি পেয়েছিলেন। ২০২৪ সালের কোঠা বিরোধী আন্দোলনের সময়ও ছিলেন চাকরিতে। তিনি ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চাকরিতে যোগদান করেন। দশম গ্রেডের কর্মকর্তা হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরে ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

- Advertisement -

- Advertisement -

নিবার্চন কমিশন ( ইসি ) জানিয়েছেন মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্রে রিটার্নিং দাখিলের নথিতে সরকারি পে-স্কেলে বেতন উত্তোলনের তথ্য দিয়েছেন। তবে পদত্যাগ-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য না থাকায় তার মনোনয়ন বাছাই কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছিল। পরে বিস্তারিত তথ্য পাওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয় ।

উল্লেখ্য, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী পদত্যাগ বা অবসরের অন্তত তিন বছর পার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না।

মনোনয়ন বাতিলের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জামায়াত জোট মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। প্রার্থিতা ফিরে পেতে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান মনোনয়ন বাতিল ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানান মনিরা।

মনিরা শারমিন বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করব। কারণ ওনারা আমার কাছ থেকে কাগজপত্র জমা নিয়েছেন। আজ মনোনয়ন বাতিল করেছেন। আমার কথাটা বলতে পারিনি, আমি শুনানির সুযোগটা চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে আইনে ৩ বছরের একটা বারের কারণে এটি বাতিল হলো, সেটার সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ না।’ এ বিষয়ে মনিরা শারমিনের আইনজীবী নাজমুস সাকিব বলেন, ‘প্রার্থিতা ফিরে পেতে রোববার (২৬ এপ্রিল) নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হবে। আশা করি, আপিলে আমরা প্রার্থিতা ফেরত পাব।’ এর আগে বুধবার (২২ এপ্রিল) জামায়াত জোটের ১৩ প্রার্থীর মধ্যে ১২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

 

You might also like