বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে নিয়ে যাওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে কাজ করছে যুক্তরাজ্য

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক

5

বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে নিয়ে যাওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারে কাজ করছে যুক্তরাজ্য । দুই বছর ধরে এ ব্যাপারে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে দুই দেশ। এ ছাড়া অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধে কাজ চলছে। গতকাল মঙ্গলবার ডিক্যাব টকে এসব কথা বলেছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ।

- Advertisement -

- Advertisement -

অবৈধভাবে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের অর্থ যুক্তরাজ্য ফেরত দেবে কি না– এ প্রশ্নে সারাহ কুক বলেন, ‘সম্পদ পুনরুদ্ধার নিয়ে আমরা কাজ করছি। সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা নিয়ে কথা বলতে পারি না। সেগুলোর সব কটিতেই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। বর্তমানে যুক্তরাজ্য ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের সম্পদ জব্দ করেছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতির এটি অত্যন্ত জোরালো প্রমাণ। এ ছাড়া অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধে আমরা কী করতে পারি, তা নিয়েও কাজ করছি।’

অর্থ পাচারে সময় না লাগলেও ফেরত আনতে এত সময় কেন লাগে– এ প্রশ্নে সারাহ কুক বলেন, সম্পদ ফেরত দিতে আইনি প্রক্রিয়ার কারণে সময় লাগে। আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণের ভিত্তি প্রয়োজন হয়। আমরা এটিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের মধ্যে, বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রযুক্তিগত পর্যায়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে এ আয়োজন করে কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের সংগঠন ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব)। এতে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সারাহ কুক। এটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিন ও সূচনা বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস।

You might also like