হে মার্কেট থেকে হবিগঞ্জ,দুনিয়ার মজদুর কবে এক হবে মোবারক স্যার!

মে দিবসে মির্জা মোনালিসার ভাবনা

12

 

- Advertisement -

- Advertisement -

দুনিয়ার মজদুর এক হও, কিংবা কেউ খাবে কেউ খাবে না, তা হবে না, তা হবে না- শ্লোগানগুলো মাথায় ঢুকে গেছিল ক্লাস ফাইভে, মোবারক স্যারের কল্যাণে। তার পর বললেন, মে দিবসের ইতিহাস। হে মার্কেটে রক্ত ঝরিয়ে আট ঘণ্টা কাজের অধিকার নিয়ে এসেছিলেন যাঁরা মাঝে মাঝে স্যার সে কথা বলে আমাদের এত মিনিটের নিরবতা পালন করাতেন।আজ পহেলা মে। রেড লেটার’স ডে। যদিও অর্থ বন্ধের দিন, কিন্তু আমার কাছে যেন লাল অক্ষর লেখা পহেলা মে- মে দিবস। বিশ্বের সব শ্রমিকের কাছেও তাই।

ক্যালেন্ডারের পাতায় লাল কালিতে লেখা একটি দিন। এই লাল ছুটির দিনের চিহ্ন নয়। এই লাল রক্তের রঙ, ১৮৮৬ সালে শিকাগোর হে মার্কেটে ঝরেছিল।
শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও শ্রমিকের ভাগ্যে দৃশ্যমাণ পরিবর্তন আসেনি।

টঙ্গী কিংবা সাভারের ব্যস্ত গার্মেন্টস কারখানা, যেখানে হাজারো নারী শ্রমিক ঘাম ঝরিয়ে বিশ্ববাজারে পোশাকের জোগান দিচ্ছেন; হবিগঞ্জের মাধবপুরের কোনো নিঝুম চা-বাগানের ঢালে রোদে পুড়ে কাজ করা চা-শ্রমিক। কিংবা বিশ্বের খনি শ্রমিকরা তাদের ভাগ্য কি বদলেছে!

ব্যানার, পোস্টার শোভযাত্রাময় এই কর্পোরেট মে দিবস চর্চা দাতাগোষ্ঠীর কাছ থেকে মহাজনের ঝুলিই ভরাবে, শ্রমিকের অধিকার, দুর্ঘটনায় আহত, ন
পঙ্গু শ্রমিক, ক্ষয়রোগে কাশতে কাশতে বুকের হাপর দেবে যাওয়া শ্রমিকের কথা আদৌ কেউ কি বলবে কখনো! পুঁজির বাজারে শ্রমিকের ঘামের দাম আজো কেন মালিকপক্ষ ঠিকমতো শোধ করে না। কেন কোন মালিকপক্ষকে লেবার কোর্টে দাঁড় করানো যায় না!
মে দিবসে এই ভাবনাই প্রতি বছর ফিরে আসে। কেন কারখানা লেঅফ ঘোষণা হয় আকস্মিক!
দুনিয়ার মজদুর কবে এক হবে মোবারক স্যার!

You might also like