বিধানসভা নির্বাচনের এক মাসের মধ্যেই ভেঙে চুরমার তৃণমূল। বিদ্রোহী বিধায়কদের কাছে জোর ধাক্কা খেয়ে সব কমিটি ভেঙে দিল তারা। ভেঙে দেওয়া হল দলের তৃণমূল, যুব তৃণমূল কংগ্রেস, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, মহিলা কমিটিও। জানানো হয়েছে, কাজের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নতুন কমিটি গঠন করা হবে। বুধবার দুপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের সোশ্যাল মি়ডিয়ায় সেই নিয়ে পোস্ট করা হয়েছে । পোস্টে লেখা হয়েছে সব দিক বিবেচনা করে, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি এবং শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই মুহূর্ত থেকে সেগুলি অবলুপ্ত হলে ধরা হবে। দলের প্রতিটি স্তরে আত্মবিশ্লেষণ, কর্মপদ্ধতি পর্যালোচনা করে দেখা হবে, কাজের মূল্যায়ন হবে। সেই মতো নতুন করে মূল দল এবং শাখা সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন করবে দল এবং সেই মতো ঘোষণা হবে যথা সময়ে। দল সংগঠনকে শক্তিশালী করতে, নতুন উদ্যোগে, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ভবিষ্যতের সব চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
নতুন তৃণমূল গঠনের প্রক্রিয়া হিসেবেই এই ঘোষণাকে দেখছেন অনেকে। নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহ মাথাচাড়া দেয়। সেই সময় মমতাকে বলতে শোনা যায়, “যাঁরা যাওয়ার তাঁরা চলে যান। আমি নতুন করে তৃণমূলকে তৈরি করব।” তবে তার পরও বেশ কিছু দিন কোনও সাংগঠনিক রদবদল চোখে পড়েনি। তবে বুধবার তৃণমূলের ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়ককে নিয়ে বিধানসভায় চিঠি জমা দিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহারা। সেখানে তাঁরা নিজেদের ‘আসল’ তৃণমূল বলে দাবি করেছেন। আর তার পরই সব কমিটি ভেঙে দিল মমতার তৃণমূল।
